স্বপ্নের কারিগর

সেই ছোট্ট ছেলেবেলা থেকেই আমরা স্বপ্ন দেখতে বিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করে ফেলি। স্বপ্ন বলতে আমি কেবল ঘুমের স্বপ্নের কথা বলছিনা। বরং আমাদের সেই সব ব্যক্ত অব্যক্ত চাওয়াগুলোর কথা বলছি। কখনো লাঠি লজেন্সের, কখনো খেলার মাঠের, কখনো বড় হওয়ার। ভালো ডিগ্রী, ভালো চাকরি, টুকটুকে বউ, ছোট্ট সংসার আরও কত কী! জীবনের বিভিন্ন ধাপে আমাদের এই স্বপ্নগুলো মাঝে মাঝে মূর্ত হয়ে ধরা দেয়। কিন্তু এদের কতগুলোই বা তাদের ঠিক ঠিক লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে? হয়ত পারে। আমি জানিনা। বস্তুগত স্বপ্নগুলো আমাদের মুখ ফুটে বলার সাহসও আছে, ক্ষমতাও আছে। কিন্তু যে নিষিদ্ধ স্বপ্নগুলোর সাক্ষী কেবল আমি আর আমার অন্তর্যামী ছাড়া আর কেউ নয়, সেই অজান খবর গুলো সারা জীবন আড়ালেই থেকে যায়। জীবনের হাটে সকল কেনা বেঁচা সাঙ্গ করে আমি যখন ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়তে চাইছি, ঠিক তখন দেখতে পাই আমার বস্তা ভরা স্বপ্নগুলোর তলানিটুকুও আর অবশিষ্ট নেই।            391594_176614939097505_100002470014439_331057_155006939_n

দীর্ঘ পথের যাত্রায় বিভিন্ন সময় সমাজ সংসারের খাতিরে সেগুলোকে বেঁচতে হয়েছে। শান্তনা খুঁজতে হয়েছে ঈশ্বরের নামে। আবার নতুন করে স্বপ্ন চাষাবাদে ব্যস্ত হয়ে পড়ে মানুষ ভাঙা ঘরের দেয়ালে। আর ঠিক তখনই চাপা পড়ে গেল সমস্ত, যা কিছু নিয়ে ভুলে ছিলাম আমি ও আমরা। কোমরে গামছা বেঁধে চাষ দিতে থাকি। আমাদের চাষকার্য চলতে থাকে জীবন অবধি, বিভিন্ন চরিত্রে। আমার স্বপ্নের বীজ বয়ে চলে আমার পুত্রে। তারপর তার পুত্রে। এমন অসংখ্য পুত্রে। বেঁচে থাকি আমি। হাতড়ে খুঁজি আমার আমিকে।

________

________________________________________
৩১ ডিসেম্বর ২০১৩ খ্রীঃ; রাত ২ঃ১৬মি

Advertisements

Poetry and Poet ___ Imtiaz Naeem

Is there any difference between created and the Creator? Creation is the multiple unity of the Creator. God or Something or Someone has scattered himself profoundly in the whole creation. So in the broader sense we may depict that if we someday can unite the whole creation we may have a glance of our Creator. Meanwhile, would it be very wrong to say that there is no difference between the poem (used as an umbrella term) and the poet? Well, it’s dialectic and diplomatic too.

No difference or distinct gap between the two:
A poet who writes inserts his own ‘self’ in the writings. This insert includes every type of subjectivity and his own impression, passion, conflicts, orders and disorders and some hundreds of unknown reverie and experience. Is there any opportunity to part him from his pen? Whatever he creates is the reflection of his self. It is very possible from his writings to make a sort of the poet’s personality. In this regard I cannot help mentioning of Charles Lamb, Virginia Wolfe, Robert Frost, Emily Bronte, Orwell, Coleridge and many other who sleep in oblivion. We get some transparent view of their mental and external phenomena from their compositions. Apart from these great writers, when a person like you and me hold a pen, his first observation begins from himself and his own arena. To sum up, it is quite impossible to take a detached view of the two living under the same roof.

10411169_1069604916387970_3169054438186545807_nFlow from two stream can never mingle:
Art and the artist are always two different things. Most of the time a poet pens from his own observation or experience. That very factor greatly depends upon spacio-temporal elements. A poet can write poems on the basis of a past war or battle. From this, we can’t say, he is battle man. He may write a poem based on some kind of hypothetical probability. And we can’t obviously name as a day dreamer or obsessed. Moreover, a poet’s impression may not be a universal one. It is said that, artist is the representative of the time. The validity of the saying breeds self-contradiction. Poetry often takes shelter under the roof of escape. All poets are to some extent an escapist. Poets wing from their surroundings to some shore by the Lethe and returns with a handful resource of recollections. It is merely a travel in the fairyland that every child does in their sleep. Well, I have no intention to spread speck on these poets but I like to focus on them to strengthen my point.
Poet and poetry are always two different things. The credibility of a poet lies in excelling himself keep apart from his poem. A mind which acts on must learn to differentiate these two entities. কবির দৃষ্টিতে চুনি-পান্নাকে দেখলে তার রঙ ও গুণাগুণ পরিবর্তন হওয়া খুবই স্বাভাবিক। আবার কবিগুরু গোলাপের মাধূর্যে মুগ্ধ হয়ে “সুন্দর” বললেই্” তা নান্দনিক আকার ধারণ করবে তা ভাবাও সমীচীন নয়।
Best poetry ever has always been very close to life. It is neither a fairy tale nor evokes the warm of daily life. Simultaneously, a good poet colors his material with such paint that in never feels barren nor lives in exile.

যোগ-বিয়োগ

তোমায় দিলাম…

ছোটবেলায় আমি প্রায়ই স্বপ্ন দেখতাম, মাথার উপর দিয়ে একটি চমৎকার ময়ূর উড়ে চলে যাচ্ছে। ময়ূর সম্পর্কিত আমার বিশেষ কোন দূর্বলতা না থাকলেও মুয়ূরের উড়ে যাওয়া আমার কল্পনা, বাস্তবতা দুই জগতেই অনেকটা জায়গা দখল করে আছে। সেই জায়গাটা যে এখনো টিকে থাকবে এটা দেখে বড্ড অবাক হলাম। আমি অবাক হয়ে তার উড়ে যাওয়া দেখতে থাকতাম। সে কোথায় যায়, আমি জানিনা। তবে তার উড়ে যাওয়া আমার ভালো লাগত। এক সময় আমার স্বপ্ন ও বাস্তবের একটা বিশাল অংশজুড়ে ছিল পরাবাস্তবতা, রূপকথা। আকাশের ওপারে কী আছে, আমার জানতে খুব ইচ্ছে করত। আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতাম। কোন পরী আমাকে ওপার থেকে দেখত কিনা, আমি জানিনা। আমার চোখের সামনেই আকাশে রঙ বদল হত। আমি আমদের ছোট্ট আঙিনায় রঙ বদলের খেলা দেখতাম। রাতে পাওয়া স্বপ্নের চিন্তা করতে করতে কেটে যেত পরের দিনটাও। আমি আবার রাতের অপেক্ষা করতাম। আমি তোমাকেও অনেকবার স্বপ্নে দেখেছি। আমাদের এক সাথে হেঁটে যাওয়া, তোমার বাড়ির একমুখী গলিটা আমকে প্রায়ই তাড়া করত। আমার এই বড়বেলাতে সেই স্বপ্নগুলোকে আবার পেতে ইচ্ছে করে। মানবিক সম্পর্কগুলো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু স্বপ্নগুলো তো নয়। আমি নিজে যেমন কৃত্রিম হয়ে পড়ছি তেমনি দিন দিন আমার স্বপ্নগুলোও। আমার খেলার মাঠ, উঠোনের কামিনী, আকাশে রঙবেরঙের চাঁদ-তারা কিছুই আজ আর অবশিষ্ট নেই। অবশিষ্ট নেই আমি নিজেও।11222642_1588982821357187_6624639091491996948_n (2)

আমি জানিনা, তুমি কেমন আছো, কোথায় আছো, কার সাথে আছো? আমি জানিনা আমার ময়ূর, খেলার মাঠ, কামিনীগুলো আজ কোথায়, আমি কেনই বা তাদের হারালাম? তোমাকে বা তোমাদের নিয়ে আমার স্বপ্নই বলো আর দুঃস্বপ্নই বলো সেগুলোকে অনেক বেশি ভালোবাসতাম। যদিও ভালোবাসার ছিটে ফোঁটাও আর এখন বাকি নেই।

একসময় খুব প্রজাপতি ধরতাম। ঝোপে ঝাঁরে দৌড়তাম। যদি জানতাম, এরা আর কোনদিন ফিরবে না, ফিরবে না তুমিও, তাহলে দুজনকেই বয়োমে ভরে রাখতাম। জানো, এখন প্রজাপতির মৌসুম যাচ্ছে। চারদিকে অসংখ্য প্রজাপতি। আমি আর তাদের ধরতে যাই না। নিজেকেই একটা জঙ্গল বানিয়ে ফেলেছি, বাইরে যাবার দরকার কী, বলো?

গণিত বিষয়ক দূর্বলতা আমার ছোটবেলা থেকেই। তাই যোগ-বিয়োগে আর যেতে চাচ্ছি না।

ভালো থাকুক আমার পরীরা, ভালো থাকুক প্রজাপতিরা। ভালো থাকুক এই সময় আর ভালো থেকো তুমি…

_____________

Relations

Relation on the earth basically are of two types: authentic relation and unauthentic. The first one that I would like to call a minor relation. It is determined by the society and the people around you. You cannot moderate it by your choice. Suppose, you can not choose your parents, your siblings. In a word, the relations grows by born, the blood relations.
Now the second one, that is more complex and takes your subjective participation. I would call it the major relations. These are a sort of a complex web, more puzzling and don’t follow any particular certainty. Sometimes these relations are so hazy, you cannot give any name. Then you must suffocate within your self. You cannot prove any legitimacy for these.
But for me, this kind of relations are more adorable where you bleed from your heart, your whole existence participates, trembles and woes. Where no boundary exists, Time ceases and your ‘self’ predominates.

প্রলাপ

We belong to such a sphere where we ourselves are alienated. আমরা এমন এক রাজ্যে বিরাজ করছি, যেখানে আমরা নিজেরাই নিজেদের জগতে পরবাসী। আমার রাজ্যে আমি নিজেই নিজের কাছে অচেনা। আমি আর তুমিতে কোন মিল নেই। সেখানে ‘আমরা’ তো অনেক দূরের কথা। আমি আর তুমি এক সাথে থাকছি ঠিকই, কিন্তু আদৌ কী আমাদের মাঝে কোন মিল আছ? We all have built our own island. যতক্ষণ তুমি আমার চাহিদায় ব্যঘাত না করছ, আমি তোমার সবচেয়ে কাছের ‘বন্ধু।’ আমি বলছিনা, ‘তুমি খারাপ, আমি ভালো।’ আমরা দুজনই ভালো, কিন্তু আমাদের দুজনের একসাথে ভালো থাকা সম্ভব নয়। আমদের ভালোগুলো কেন জানিনা পরস্পর বিরোধী। অথচ তোমার আমার মাঝে কী সত্যি ই কী কোন বিরোধ আছে? আমরা তো জন্মগতভাবে কখনোই বিরোধী ছিলাম না। তাহলে বলত, এই ‘আমি-তুমি’র জন্ম কিভাবে হল? আমাদের দুজনের মাঝে বাণিজ্য যেদিন থেকে বাস করতে শুরু করল। আমাদের ভালো লাগাগুলো যেদিন থেকে চাহিদা-যোগান বিধি মেনে চলতে শুরু করল, সেদিন হঠাৎ ই আমাদের বিকেলের চায়ের কাপেও তা ভর করতে শুরু করল। যা আমার জন্য ভালো ও শুভকর তা তোমার জন্যও। তাহলে বাজারের সবচেয়ে ‘ভালোটা’ আমার ব্যাগে কেন, বলতে পারো? কারণ আমার হিপ উঁচু করা মানিব্যাগ সগৌরবে তার মহত্ব জাহির করছে। আর তার ভেতরে ভাঁজ হয়ে থাকা নোটগুলো আমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছে, তোমার মাথাটাও আমি ইচ্ছে করলেই কিনে ফেলতে পারি, আস্ত পুরে ফেলতে পারি আমার বাজারের থলেতে। মার্ক্স সাহেবের Have আর Have not থিয়োরিকে অস্বীকার করার সাহস আমার নেই। তোমার কী মনে হয়না, এই তত্ত্বটা আমাদের সামাজিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক সকল প্রতিষ্ঠানেই প্রযোজ্য। একদল মানুষ ধর্মের মত অতি সংবেদনশীল বিষয়কে পুঁজি করে বেঁচে আছে। আমাদের চোখের সামনে নগ্ন হচ্ছে আমার বোন, তোমার প্রিয়তমা, কারোও আদরের ছোট্ট খুকিটা। আমি হয়ত পাশেই দাঁড়িয়ে ভুভুজিলা বাজাচ্ছি। রাজনীতিকরা এটিকে বলছেন ‘একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা’। সমাজের সুশীল জনগণ উঁটপাখিকে জাতীয় পাখি করা যায় কিনা সেই চিন্তায় বিভোর। সেই সাথে এই রঙ্গে যোগ দিয়েছেন আমদের হলুদ মিডিয়া। নগ্ন হয়ে নুয়ে পড়া তরুণীকে কে কত বেশি ফোকাসে আনবেন, তাই বিবেচ্য। রগরগে বর্ণণায় প্রচার সংখ্যা বাড়াতেই হবে! টিভি চ্যানেলগুলোর টি আর পি অন্যদের চেয়ে বেশি থাকাটাই মূখ্য। আদরের খুকিটা কিন্তু নগ্ন অচেতন হয়েই পড়ে আছে।
আমাদের মধ্যেই একদল নগ্ন হচ্ছি, আরেকদল নগ্ন করছি। তুমি কী জানো, এরা দুদলই কোন না কোন স্কুল-কলেজ থেকে জিপিএ ৫.০০ পাওয়া। কী, অবাক লাগছে! এটাই আমাদের শিক্ষার প্রকৃত রূপ। “আবাদ করলে ফলত সোনা”। কিন্তু আবাদটা করবে কে? ধর্ম চলে গেছে ‘তেঁতুল তত্ত্বে’। সমাজ আমাদের নির্ধারণ করে দিচ্ছে, ধর্মের শিক্ষা শুধু মাত্র দিতে পারে টুপি-দাঁড়িধারী কিছু পেশাদার তথা কথিত আলেম জাতি। যেখানে শেখানো হচ্ছে, কলমের চেয়ে তরবারির জোর বেশি। ক্ষুদে মওলানারা হুরের চিন্তায় দিনরাত এক করে দিচ্ছে। জিহাদ মানেই সহিংসতা। জিহাদ মানেই আরোও একটি মায়ের কোল খালি হওয়া! ধর্মের আদিসত্য সুন্দর রূপ তো কবেই ধুয়ে মুছে গেছে। যেটুকু অস্থি-মজ্জা এখনো রয়ে গেছে তা নিয়ে চলছে কুকুরের হাঁড় টানাটানি খেলা। আল্লাহ বেশি ক্ষমতাধর না ভগবান? না বুদ্ধ? না যিশু? নেপালে ভূমিকম্পে যেখানে লাখ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত, শত শত বুদ্ধ মন্দির মাটির সাথে মিশে গেছে, সেখানে এত ধকল সহ্য করেও কোন বিশেষ কারামতে টিকে আছে একটি সুদৃশ্য মসজিদ- এই তর্কে ছেয়ে গেছে টক শো’র পর্দা। আর আমরা যারা গড় মানুষ, “দৈন্যের দায়ে বেঁচিব সে মায়ে”-অবস্থা, তারা চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছি টিভি পর্দায় আসা আপাদ- মস্তক কাপড়ে ঢাকা উলঙ্গ ধর্ম বিক্রেতাদের দিকে।
সংবিধানের মূলমন্ত্রঃ গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও …। থাক, সেসব কথা।

421547_555609347805849_1575068000_nএতক্ষণ যে বকছিলাম, এই বকার মাঝেও কিন্তু মার্ক্স সাহেব ঘাপটি মেড়ে বসে ছিলেন।
প্রিয়তমা, তোমাকে আমি নগ্ন করতেও চাই, দেখতেও চাই না। তুমি কী ভাবছো, যারা নগ্ন করছে তারা অনেক সুখে আছে? না, তারাও সুখে নেই। সমাজের ছিন্ন মুকুল হয়ে কেউ সুখে থাকতে পারে না। এদেরও ঘর-বাড়ি ছিল। এদেরও বোন আছে, আমার মত তাদেরও প্রিয়তমা আছে। তাদের ছোট বোনকে কেউ প্রেমপত্র দিলে তারাও তেঁড়ে আসে। তাহলে বলতো ফারাকটা কোথায়?
একটি গাছের মূল নষ্ট হলে তুমি যতই সে গাছের মাথায় পানি দাও, বাঁচাতে পারবে না। চোখের সামনে কেউ নগ্ন হয়ে পড়ে থাকছে, আর আমরা আমাদের গ্র্যান্ড ফিনালে মালয়েশিয়ায় করব নাকি আবুধাবিতে করব তাই নিয়ে মত্ত। শিক্ষা বলো, অ-শিক্ষা বলো, আমরা কার কাছ থেকে পাচ্ছি। আমরা ছুটে যাচ্ছি কিছু ভাড়াটে প্রতিষ্ঠানে। যেখানে তাবেদারি করছে ভাড়াটে পণ্ডিতবর্গ। তাদের মাঝেও আবার শতেক ভেদ। ব্যক্তিগত মন-মর্জির উপর ভর করে নুয়ে পড়ছে হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন। এখনো পাবলিক বাসে লেগে আছে রক্তের দাগ। হয়ত আর কখনো নতুন চামড়া গজাবে না মেয়েটির পুড়ে যাওয়া মুখে, ঘারে, পিঠে। এক সময় প্রতিরাতে যার ঢলো ঢলো মুখটা মনে করে ঘুমাতে যেত যে তরুণ প্রেমিক, সে আজ দিশেহারা। বাবার আদরের মেয়েটাকে নগ্ন করা হয়েছে ক্যামেরার সামনে।
প্রিয়তমা, তোমাকে যেমন ভালবাসি, এই দেশটাকেও ভালবাসি। তোমাদের দুজনকে আলাদা করে কখনো ভাবতে চাই না। কবিতাটি তাই তোমাদের দুজনকেই দিলামঃ

কত রক্ত গেছে জীবন গেছে
কত সম্ভ্রম
তবুও কেন হয়নি আমাদের
স্বাধীনতা অর্জন?

আস্তিক- নাস্তিক
আরো কত ভেদে
কেটেছে তোমাকে ওরা
হাজার টুকরো করে।

বারুদ আর বিস্ফোরণে
ঘৃণায় আর গ্লানিতে
তোমার নাম আজ
ধূলোয় মিশে গেছে।

এ কেমন স্বদেশ আমার
এ কেমন চ্ছিড়ি
সব কিছুর পরেও আমি
তোমায় ভালবাসি।
__________

The Witness

It’s morning. It’s a good morning, I suppose. People must be on their tracks already. Getting busy in their chores. No different from any other days.

I keep watching. I keep watching the sun. The sun on the top of the boughs. The sun on the leaves, on the veins, climbs twig by twig. I don’t know where the sun goes. I chased him several times but he moved on farther, I lagged. I’ve inserted myself in the sun.

I keep watching the magpie sitting against my barred window. There were some other species also, beautiful as usual. They sang. Do they really sing? Whatever, I don’t know. A zoologist may know. May be they were quarreling over an insect. No! they don’t quarrel. It is human that quarrels. I keep watching . Sometimes they (may be the male or female) attract or allure their partners through beautiful demonstrations.
I was the bird, the beautiful creature, the magpie, the nightingale, the vulture, the lark . I was a bird from premeditated period. It may be a year, a decade or a century or may be more than that. It was splendid. I travelled on air, from heaven to heaven. I had my meal on the floating clouds. I sat on the sun, drank from the moon. I winged through the milky way. It was splendid.

I keep watching. I keep watching how light changes. The sweet warm rays, the fiery spark, the gentle deem glow and then a cold, musty blessing. I keep watching.

I keep watching. I keep watching the children. The boys, the girls with their mirth, hardly have passed their childhood. Their gaily face, Their playful words and carousal take me to their flight. I was with those light once. I insert my dream-children in them. I pour myself into them those muddy fields, those playmates, those early blossoms, those flies in the autumn and winter that I chased miles after miles. I flied with the fly too. I was the the fly. I was the fields. I was the exotic hum, the words. I was what you had been. I keep watching the boys on road. I keep watching the children lagging with their school bag. I see myself in them.

I keep watching. I keep watching my front window teen neighbor. I see her drying her hair in the sun. I see her singing on an ancient note. May be a romantic one. She admires the sun, the breeze. Her innocent eyes get overwhelmed by the dance of the flowers. She wonders! She dreams. She dreams of a handsome young man riding on Pegasus. He lands on the roof of the chanted tower where she is imprisoned. He fights with dragons and demons, then captures my front window neighbor. I keep watching. I keep watching, they walk on the dump road touching, sometimes grasping each others fingers. And quickly takes them apart in shy. I keep them watching. I don’t know, where they go each everyday dangling their toes. I just keep watching. The couple who move on the road was no one else but it was us. It was me with you, my dear. We were. We are. We will be. I inserted my soul in every lover of the world. I enjoyed their every single touch. I woed for their torment. I was nobody but you, my dear. Yes, it was me, the witness.

I keep watching. I keep watching the saints, the Prophets, the Gurus. They live on the air. I see their glittering eyes, their unstained faces. I see them making love with the God, the ever bright Light. I see them playing spell over the lovely birds, to the venomous cobra. They talk with the sharpest claw. They laugh. It laughs. It was the Light above the light.

I keep watching. I keep watching the lad returning home after a day-long journey to school- tuition-longing. I see his muddy shirt wet in sweat. Sometimes he rides on his Hero-Cycle. I see the boy after his two locked beloved who still is confused. I see them in their secret meeting over the half damaged wall of the house, sometimes in that small cafe. They talk, they laugh, they stare each other. Their eyes speak, not they. Time ceases itself. Or lets it run where it wishes. Soon they finish their session. They dream for the morning. I insert myself in them. I was their desire. I was the pain of the boy who cried night after night for not being able to say those three magical words. I was the blush of the girl when the boy first touched her finger. I was their innocent immature plan for the future. I was the color of these two fair creature. I was the great storm when she was taken apart. I waited. I waited for their return. But there is no return.

I keep watching. I keep watching a bare muddy inn far away from the habitation. I found a lamp with its fainted fire. The fire is tired of burning. It only now waits for a blow. A blow towards the eternity. Then it is morning again; a good morning, I guess.
_______

WWW.alwaysforyou07.WordPress.com

I Love to Love

I love to love
All those sweet glances
I love to love
All those Muses
Who came at the end of the days.

I find all my dearests
Twinkling among the stars.
All those autumns
Came earlier and banished furthest.

I love to love
Those faces, peeping from sands
I guess them back
From where they stand.

Those melodies of exotic lyres
Are no more in days.
I wish to pet them, drown them
And take them apart
From the blazing rays.

I love to see the love
See the woes.
Where from the wind comes
And where it goes?
Back me the days
That are no more.